প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১১ অক্টোবর ২০২৪ (শুক্রবার) কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিজ ফরিদা আখতার, উপদেষ্টা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর,সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক, মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
এছাড়াও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিজ ফরিদা আখতার বলেন, ডিম হচ্ছে একটি সুষম খাবার। আমাদের খাদ্যের মধ্যে দিয়ে ইউনাইটেড হতে হবে, সেক্ষেত্রে ডিম হচ্ছে একটা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ডিম যাতে সকল শ্রেণীর মানুষ সহজ ও সহজলভ্যভাবে গ্রহণ করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । বিভিন্ন স্কুলে বাচ্চাদের দুধের পাশাপাশি ডিম খাওয়ানোর জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এবং পোল্ট্রি শিল্পের বিভিন্ন ক্ষুদ্র খামারিদের সহযোগিতা করারও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধান অথিতি আরও বলেন , ডিমকে একটা অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য হিসেবে ঘোষণা করা যেতে পারে। খাদ্যের দিক বিবেচনা করে এবং চাহিদার দিক থেকে ডিমকে অত্যাবশ্যক খাদ্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেলাল হায়দর বলেন, ডিম হচ্ছে সমস্ত শক্তির আধার এজন্য ডিমকে সুপার ফুড বলা হয়।পোল্ট্রি শিল্পের দিকে যদি আমরা নজর দেই; তাহলে বেকারত্ব দূর হবে ,পোল্ট্রি শিল্পের মাধ্যমে আমরা দারিদ্রতা দূর করতে পারবো।মানুষের মেধাবিকাশ, মেধাবী জাতি গঠনে প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া উচিত । তাছাড়া তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে এই শিল্পের দিকে সকলের নজর নজন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সভাপতির বক্তব্য রেয়াজুল হক বলেন, প্রধান অতিথির নির্দেশনায় হচ্ছে তিনটি ১.ডিমের দাম কমানো ২.ক্ষুদ্র খামারীকে টিকিয়ে রাখা এবং ৩. সেইফ ডিম প্রস্তুত করা ।প্রধান অতিথির দিক নিদের্শনায় আমরা এই তিনটা নিয়ে কাজ করছি ।
প্রতিবেদনকারী
মো.আল আমিন
কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
আঞ্চলিক অফিস,ঢাকা।