মৎস্যজীবী মোদাচ্ছের জানান, ফজরের নামাজ শেষে প্রতিদিনের মতো বড়শি নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে যান। বড়শি ফেলার কিছুক্ষণ পরই বড় কোরালটি আটকে পড়ে। মাছটি তোলার পর ওজন করে দেখা যায় এটি প্রায় ২৬ কেজি। পরে সাবরাংয়ের মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফারুকের কাছে তিনি ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন।
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে বড়শিতে ধরা পড়েছে ২৬ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে স্থানীয় জেলে মোহাম্মদ মোদাচ্ছেরের বড়শিতে মাছটি ধরা পড়ে।
মৎস্যজীবী মোদাচ্ছের জানান, ফজরের নামাজ শেষে প্রতিদিনের মতো বড়শি নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে যান তিনি। সেখানে বড়শি ফেলার কিছুক্ষণ পরই বড় কোরালটি তাতে আটকে পড়ে। মাছটি তোলার পর ওজন করে দেখা যায়, এটি প্রায় ২৬ কেজি। পরে সাবরাংয়ের মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফারুকের কাছে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন।
তিনি আরো জানান, তিন বছর ধরে এই জেটিতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরে সংসার চালাচ্ছেন। কখনো ছোট, কখনো বড় মাছ ধরা পড়ে। এসব বিক্রি করেই জীবিকা চলে। এভাবে জেটিতে তার মতো অন্তত ২০ জন জেলে প্রতিদিন বড়শি দিয়ে মাছ ধরেন।
মাছটির ক্রেতা মোহাম্মদ ফারুক বলেন, কোরালটির ওজন ২৬ কেজি। তিনি ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে এটি কিনেছেন। টেকনাফের স্থানীয়দের মধ্যে কোরাল মাছের চাহিদা বেশি। তাই ভালো দামে বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।
টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, কোরাল একটি দ্রুত বর্ধনশীল মাছ। পরিবেশ ভালো থাকলে এই মাছ ৩০ থেকে ৩৫ কেজি ওজন পর্যন্ত হয়। মাঝে মাঝে আরো বড় কোরালও ধরা পড়ে।
তিনি জানান, কোরাল সুস্বাদু মাছ হওয়ায় জেলেরা এর ভালো দাম পান। সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা ও প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখায় এখন নাফ নদীতে বড় কোরাল মাছ পাওয়া যাচ্ছে।
