২৮.০৭.২০২৫ তারিখ
কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মোঃ হারিস মিয়া প্রথমে দুইটি গাভী দিয়ে ১৯৯৭ সালে শুরু করেন খামার । বর্তমানে মোটাতাজাকরণ খামার হিসাবে গড়ে তুলেছেন । বর্তমানে খামারে মোট প্রায় ১৫টি ষাড় গরু রয়েছে । আরো কিছু ষাড় গরু ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ।
পরিবারের ৩ (তিন) সদস্য সহ সুখে জীবন যাপন করছেন। ছেলে বিদেশ থাকেন তার উপার্জিত অর্থানে খামারটি গড়ে তুলেছেন।হারিস ও তার স্ত্রী দুই জন মিলে খামার টি পরিচালনা করেন, প্রতি বছর কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করেন। খড়ের পাশাপাশি নিজ জমিতে উৎপাদিত কাঁচা ঘাস,গুড়া,ভূষি ও দানাদার খাদ্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা হয়। মাঝে মধ্যে বাজার থেকে কোম্পানির ফিডও ক্রয় করে থাকেন।
তবে এই দীর্ঘ প্রায় ৩০ বৎসর পথচলায় কিছু চ্যালেঞ্জও মোকাবেলা করতে হয়েছে তাকে। ক্ষুরা, গ্যাসের সমস্যা দেখা দিয়েছিল। যথাসময়ে স্থানীয় ওষুধের দোকান থেকে চিকিৎসা নিয়ে তিনি গাভীগুলোর সুস্থতা নিশ্চিত করেছেন। যদিও সুমন প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে গ্রামিন উঠান বৈঠকের মধ্যমে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নেন ,তিনি নিজ প্রচেষ্টায় খামারটিকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে আসছেন।
সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, আঞ্চলিক অফিস কুমিল্লা থেকে খামারটি পরিদর্শন করা হয়। খামারিকে তথ্য দপ্তরের পরিচিতি দিয়ে নিকটস্থ প্রাণিসম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখতে পরামর্শ দেয়া হয়। সেই সাথে প্রাণিসম্পদ বিষয়ক বিভিন্ন মুদ্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। তিনি খামার পরিচালনার জন্য প্রাথমিক জ্ঞান ও পরামর্শ পেতে পারেন। সেই সঙ্গে গ্রামের সাধারণ জনগণের মাঝে জনসচেনতার জন্য মুদ্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে বিতারণ করা হয়। খামার গড়ে তোলার এই গল্প শুধুই অর্থনৈতিক ভাবে সফল হয়েছেন, এটি একজন সাধারণ মানুষের স্বপ্ন, পরিশ্রম ও আত্মনির্ভরতার প্রতিচ্ছবি।
