গবাদিপশুর মধ্যে তড়কা বা অ্যানথ্রাক্স রোগ শনাক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে কুমিল্লায় সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, আঞ্চলিক অফিস, কুমিল্লা।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি.) সকাল ১১টায় দপ্তরটির উদ্যোগে কুমিল্লা শহরের চকবাজার, রাজগঞ্জ, রাণীর বাজার, টমছম ব্রিজ বাজার ও পদুয়ার বাজার এলাকায় গরুর মাংসের দোকানে তড়কা রোগ প্রতিরোধ ও করণীয় বিষয়ক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
লিফলেটে বলা হয়—

“অসুস্থ পশু জবাই করবেন না, মৃত পশু খোলা স্থানে ফেলবেন না, বরং গভীরভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলুন। মৃত পশুর দেহ যেন কুকুর বা শকুন না খায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। গবাদিপশুকে নিয়মিত তড়কা রোগের টিকা দিন এবং আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা বা পরামর্শের জন্য নিকটস্থ প্রাণিসম্পদ দপ্তর বা ভেটেরিনারি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।”
এছাড়া লিফলেটে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আক্রান্ত গবাদিপশুর শ্লেষ্মা, লালা, রক্ত, মাংস, হাড়, নাড়িভুঁড়ি, চামড়া বা পশমের সংস্পর্শে এলেও মানুষ অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তাই পশু পালন, জবাই ও মাংস ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়।

oppo_2
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, কুমিল্লার কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক জনাব খালেক হাসান।ছবি তুলেছেন অত্র দপ্তরের এস. এম. ইমতিয়াজ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদেশে তড়কা রোগ প্রতিরোধে গবাদিপশুর নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি বাজারের কসাই, গরু ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে অসুস্থ পশু জবাই না করতে সচেতন করা হচ্ছে। এসময় কসাই ও ব্যবসায়ীদের তড়কা আক্রান্ত পশু জবাইয়ের মারাত্মক পরিণতি এবং এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমণের ঝুঁকি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।
জনসচেতনতায়: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
প্রচারে :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
প্রতিবেনকারী :
খালেক হাসান, কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, কুমিল্লা
