কুমিল্লা জেলার ধান্যদৌল বি-পাড়ার খামারি আব্দুর রশিদ ২০২৫ সালে মাত্র দুটি গরু দিয়ে তাঁর খামার শুরু করেছিলেন। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে বর্তমানে তাঁর খামারে গরুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়টিতে। যার মধ্যে রয়েছে দুটি গাভী, দুটি বাছুর এবং দুটি ষাঁড় গাভী থেকে দুধ বিক্রিসহ পারিবারিক দুধের চাহিদা মিটান। তাঁর খামারে হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল এবং দেশি জাতের গরু লালন-পালন করা হয়। এসব গরুর খাদ্য হিসেবে নিয়মিত খৈল, ভুষি, কাঁচা ঘাস এবং ঘরে তৈরি সুষম খাবার সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

সম্প্রতি খামারের একটি বাছুর ১১ মাস বয়স। ২ দিন থেকে পাতলা পায়খানায় ভুগছিল। বিষয়টি জানতে পেরে প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাছুরটিকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসার পাশাপাশি খামারটিকে আরও আধুনিক ও লাভজনকভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে খামারি আব্দুর রশিদকে গবাদিপশু লালন-পালন ও সঠিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিভিন্ন বিনামূল্যে মুদ্রণ সামগ্রী প্রদান করা হয়। সরকারি এই তাৎক্ষণিক সেবা ও দিকনির্দেশনামূলক সামগ্রী পেয়ে খামারি আব্দুর রশিদ অত্যন্ত আনন্দিত ও উপকৃত হয়েছেন।
প্রতিবেদক, খালেক হাসান, কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
আঞ্চলিক অফিস, কুমিল্লা।
