ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৫ নং দক্ষিণ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের যুবক মো. আলম হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। এক মাস আগে দুই হাজার হাঁস নিয়ে খামার শুরু করেছেন। বর্তমানে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৭৫০টি ডিম উৎপাদন হচ্ছে তার খামারে । সবকিছু ঠিক থাকলে পুঁজি তুলে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। মো. আলম উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে।
কথা হয় আলমের সাথে। তিনি জানান, বেশ অনেক বছর আগে বিদেশ থেকে এসেছেন। বাজারে তাদের ওয়ার্কসপ ছিল। সেখানে দেখাশোনা করতেন। এক বছর আগে নেত্রকোনায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে একটি হাঁসের খামার দেখে এ ব্যবসার প্রতি আগ্রহী হন। সেখানে এক সপ্তাহ অবস্থান করে হাঁস পালনের বিভিন্ন বিষয় হাতে–কলমে শেখেন। পরে বাড়ি ফিরে পুঁজি সংগ্রহ করে এক মাস আগে নেত্রকোনা থেকে দুই হাজার হাঁস কিনে খামার গড়ে তোলেন। প্রায় ৯ লাখ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করেন তিনি।
বর্তমানে খামারটি তিনি নিজেই তদারকি করেন। পাশাপাশি দুইজন শ্রমিক হাঁসগুলোর পরিচর্যা করছেন। প্রতিদিন সকাল ৭টার দিকে শ্রমিকরা হাঁসগুলোকে হাওড়ের জমিতে নিয়ে যান। সেখানে সারাদিন প্রাকৃতিকভাবে খাবার খেয়ে বিকেলে আবার খামারে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। অতিরিক্ত খাবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
মো. আলম বলেন, প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৭৫০টি ডিম পাচ্ছি। নিয়মিত ডিম উৎপাদন অব্যাহত থাকলে আরও ৬ থেকে ৭ মাস ডিম পাওয়ার আশা করছি। এতে পুঁজি ওঠার পাশাপাশি প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি।
হাঁসের রোগ বালাইয়ের বিষয়ে আলম জানান, এখন পর্যন্ত হাঁসের তেমন কোনো রোগবালাই দেখা দেয়নি। সঠিক পরিচর্যা ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে খামারের হাঁসগুলো সুস্থ রয়েছে।
সূত্র :বাংলাদেশ বুলেটিন
