এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, একটা নতুন বাংলাদেশের কথা বলছি। আগের উদাহরণ দিয়ে লাভ নেই। আগের চিন্তা বাদ দিয়ে বর্তমানের কথা ভাবতে হবে। আমরা যেন সফল হতে পারি সেই চেষ্টা করতে হবে।
এছাড়া জেলেদের তালিকার বিষয়ে তিনি বলেন, জেলেদের যে তালিকা করা হতো, সেটি বিশেষ পদ্ধতিতে করা হতো, সেগুলো এবার থাকবে না। ফলে আশা করছি তালিকা অনেকটা স্বচ্ছ হবে। প্রকৃত জেলেরা যেন চাল ও অন্যান্য সহযোগিতা পায় তা মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চিত করা হবে।জেলেদের উদ্দেশ্য তিনি আরো বলেন, আমরা ২২দিন যদি ইলিশ ধরা বন্ধ রাখি, আগে ২২ দিনে ২৫ কেজি চাল দেয়া হতো। এখন আমরা বাড়িয়ে ৩০ কেজি চাল দিতে চেষ্টা করবো। এটা আপনাদের ন্যায্য দাবি। এছাড়া যারা সল্প সুদে ঋণ দেয় তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলবো যাতে এই এলাকার জেলেদের সল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করা যায়।
দাম বেশি হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ ইলিশ খেতে পারে না। এটা বড় ধরনের অন্যায়। আমরা যদি ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে পারি, তাহলে অবশ্যই বাজারে ইলিশের দাম কম হবে। এছাড়া নড়িয়া সুরেশ্বর ঘাটকে একটি মৎস্য অবতরণ ঘাট করার কথাও জানান তিনি। পরে তিনি মৎসজীবিদের মাঝে একটি গবাদিপশু বিতরণ করে।
এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, শরীয়তপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া জেরিন, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা-উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও জেলেরা
সূত্র : ডিবিসি নিউজ