চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গার বাসিন্দা সার বিক্রেতা মহিবুল্লাহ শেয়ারে প্রায় ২০ লাখ টাকায় তিন বছরের জন্য ছয়টি পুকুর লিজ নেন। পুকুরগুলোতে মাছের জন্য খাদ্য হিসেবে দেড় মাসে ১৩ টন ফিড লাগে, যার বাজারমূল্য ৭ লাখ টাকা। এক বস্তা ফিডের দাম পড়ে ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফিডের দাম বেশি হওয়ার কারণে অনেক সময় মাছের খাদ্যের যোগান দিতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। তখন বিকল্প হিসেবে ইপিজেডের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকদের খাবারের উচ্ছিষ্ট মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এমন অবস্থার মধ্যেও গত বছর প্রায় ২৭ লাখ টাকা লাভ করেছেন তিনি। মহিবুল্লাহ বলেন, বড় সাইজের পোনা সংগ্রহ করে চাষ করলে বছরে দু’বার মাছ বিক্রি করা যায়। আমাদের পুকুরে দেড় কেজি থেকে পাঁচ কেজি ওজনের পাঙ্গাস রয়েছে। আমরা প্রতিকেজি মাছ ১১৭ টাকা করে বাজারে পাইকারি বিক্রি করি। মাছের চাষ করে এ পর্যন্ত আমাদের কোনো লোকসান গুনতে হয়নি। তবে আবহাওয়া ও ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মাছ মারা যায়। একইসঙ্গে বর্ষাকাল বানের জলে ভেসে যায় পুকুরের মাছ। পুঁজি ও জায়গা থাকলে মাছের চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
২২
previous post
