চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী মোল্লা ডেইরি ফার্মের উত্তরসূরিদের একজন মো. হানিফ। পারিবারিক ঐতিহ্য তিনি ধরে রেখেছেন। তাদের ডেইরি ফার্মের দুধ এলাকার চাহিদা পূরণ করে যায় আশপাশের দোকানেও। আঞ্জুমান ডেইরি এগ্রোর মালিক মো. হানিফ বলেন, ‘চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী মোল্লা ডেইরি ফার্ম ছিল আমাদের পারিবারিক পশু খামার। বর্তমানে আমাদের চার ভাইয়ের মধ্যে তিনজনের রয়েছে আলাদা আলাদা এগ্রো এবং একজনের পোল্ট্রি খামার। আমাদের তিন ভাইয়ের এগ্রোতে প্রায় ৩০০টি গরু রয়েছে। এসব গরু থেকে দৈনিক ২২০০ লিটার দুধ পাচ্ছি আমরা। এর মধ্যে ৩০০ লিটার দুধ স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়। বাকি দুধ আমরা বড় বড় মিষ্টির বেকারিতে বিক্রি করি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দফায় দফায় গো-খাদ্যের দাম বেড়েছে। শ্রমিকের মজুরিও অনেক বেড়েছে। সমস্যার মধ্যেই এখনও টিকে আছি, কিন্তু কতদিন যে টিকতে পারব—সেটাই এখন প্রশ্ন। দৈনিক ৩০০টি গরুর জন্য প্রতিকেজি ৫ টাকা করে ৩০ টন কাঁচা ঘাস লাগে। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে কৃষি খাতকে ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে দেখানো হয়। ফলে ১৫ টাকা ইউনিট বিল দিতে হয় আমাদের। আজ পর্যন্ত কৃষি অধিদপ্তর থেকে কেউ কোনোদিন খোঁজ-খবর নেয়নি। সরকারি যদি গো-খাদ্যে ৬০ শতাংশের জায়গায় ৪০ শতাংশ করে এবং দুধের দাম কিছুটা বাড়ায়, তাহলে দুধ বিক্রি করে খামারিরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে। তিনি আরও বলেন, ‘গত কোরবানির ঈদে আমাদের প্রায় ২০০টি গরু বিক্রি হয়েছে। আসলে কোরবানির পর থেকে ৪ মাস আমরা পশু খামারিরা লাভের মুখ দেখি।’
দিনে ২২০০ লিটার দুধ মেলে আঞ্জুমান ডেইরিতে
15
previous post
