ড. মো. আব্দুল ওয়ারেছ
রপ্তানিমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। রপ্তানির মাইলফলক স্পর্শ করতে প্রাণিসম্পদ খাত ধীরে ধীরে একটি শক্তিশালী রপ্তানিমুখী খাতে পরিণত হচ্ছে। উল্লেখ্য, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে, প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটাতে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে, দারিদ্র্য বিমোচনে এবং অর্থনীতি চাঙ্গা করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় অর্থনীতিতে এ খাত একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও দ্রুতবর্ধনশীল খাত হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮১ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৯ শতাংশ। স্থির মূল্যে এ খাতের সামষ্টিক আকার দাঁড়িয়েছে ৯১,০৩৬ কোটি টাকা।
বর্তমান রপ্তানি : প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রাণিজাত পণ্য; যেমন মাংস ও মাংসজাত পণ্য, বুল স্টিক, দধি, রসমালাই, মিষ্টি (দুগ্ধজাত পণ্য), হাঁসের পালক, জিলেটিন, গরুর লেজের লোম, কবুতর, ওম্যাজাম, মোগলাই পরোটা (ডিমজাত পণ্য), মহিষ/গরুর শিং, টুকরা চামড়া ও ভেটেরিনারি মেডিসিন সাপ্লিমেন্ট পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়; আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মালদ্বীপ, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, মালয়েশিয়া, মিসর, কুয়েত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং এবং নেপাল। উল্লেখ্য যে, কাজী ফার্মস লিমিটেড গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে প্রথমবারের মতো নাইজেরিয়ায় ১০ হাজার ৪৪০টি প্যারেন্ট হ্যাচিং এগ রপ্তানি করেছে। রপ্তানি করা এ চালানের মূল্য প্রায় ১৯ হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ তেইশ লাখ টাকার বেশি। ডিমগুলো “রস ৩০৮ ব্রয়লার (প্যারেন্ট হ্যাচিং এগ)” জাতের অর্থাৎ ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা উৎপাদনের উপযোগী ডিম। বর্তমান সরকারের সময়ে এটাই প্রথম হ্যাচিং এগ রপ্তানি চালান। গত অর্থবছরে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ২,১০০ মেট্রিক টন এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ছিল ৮০.৬১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ যখন নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে বিদেশে পণ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়, তখন তা দেশের সক্ষমতারই প্রতিফলন। এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম নয়, বরং বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
রপ্তানির পথে চ্যালেঞ্জ ও করণীয় : বর্তমানের এই অগ্রগতিতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। কারণ, একদিকে যেমন আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে তেমনি আমাদের লক্ষ্য আকাশচুম্বী। দুধের ঘাটতি পূরণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধির অনুপাতে উৎপাদন বাড়ানো, পরিবেশ ও জলবায়ু বিপর্যয়, রোগের প্রাদুর্ভাব, আন্তর্জাতিক মানদ- পূরণ এবং উন্নত প্রযুক্তির ঘাটতিসহ নানাবিধ সমস্যার মধ্যে ডুবে আছি আমরা।
বিশেষায়িত জাত উন্নয়ন : প্রথমত, আমাদের রপ্তানি বাজারের বিপুল চাহিদা পূরণে বিশেষায়িত জাত উন্নয়ন করতে হবে। কারণ, আমাদের দেশি জাতের গরু, মহিষ বা ছাগলের দৈনিক মাংস বৃদ্ধির বা দুধ উৎপাদনের হার অনেক কম; তাই এতে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি। এই কার্যক্রমের আওতায় স্থানীয় উন্নত জাতের গরুর সাথে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উন্নত জাতের (যেমন- ব্রাহমান বা অনুরূপ উচ্চউৎপাদনশীল জাত) সুপরিকল্পিত ক্রসব্রিডিং বা কৃত্রিম প্রজনন ঘটানো হবে। লক্ষ্য হলো এমন একটি সহনশীল জাত উদ্ভাবন করা, যার দৈহিক বৃদ্ধির হার বেশি এবং মাংসে চর্বির পরিমাণ তুলনামূলক কম হবে। প্রাণী পালনে প্রায় ৬০-৭০ ভাগ খরচ হয় খাদ্যে যা লাভজনক প্রাণিসম্পদের অন্যতম অন্তরায়। তাই, প্রাণীর খাদ্য খরচ কমাতে গবেষকদের উদ্ভাবিত উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ও খরাসহিষ্ণু নেপিয়ার ঘাস স্থানীয়ভাবে চাষ করা হবে। তবে, গ্রিন প্রোডাকশন নিশ্চিত করতে প্রাণীর জন্য পরিবেশবান্ধব খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে এবং চারণভূমি তৈরিতে বনভূমি কর্তন করা যাবে না। উল্লেখ্য, এই নির্ধারিত এলাকায় গুড লাইভস্টক প্রোডাকশন প্র্যাকটিস (জিএলপিপি) যথাযথ অনুসরণের মাধ্যমে প্রাণী লালন-পালন করা হবে; এখানে বোন মিল ব্যতীত কোনো প্রক্রিয়াজাত প্রাণিজ আমিষ প্রাণীকে খাওয়ানো হবে না। এ ছাড়াও, অন্যান্য ফিড এডিটিভস, হরমোন, স্টেরয়েড বা অন্য কোনো রাসায়নিক পদার্থ বা ওষুধ খাওয়ানোর বিষয়ে কঠোর আন্তর্জাতিক নীতি মেনে চলা হবে।
‘রোগমুক্ত এলাকা’ তৈরি : আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে হলে আমাদের বেশ কিছু উপযোগিতা অর্জন করতে হবে। রপ্তানি উপযোগী প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদনের প্রথম ধাপ হলো নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘ডিজিজ ফ্রি জোন’ বা ‘রোগমুক্ত এলাকা’ বা ‘কম্পার্টমেন্টালাইজেশন’ প্রস্তুত করা। এটি তৈরি করতে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা, প্রাণীর ধরন ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিলেটের চারণভূমি এবং হাওর অঞ্চলের ভৌগোলিক সুবিধা বিবেচনা করে এই এলাকা চিহ্নিত করা হয় কারণ এখানে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কম। এ ছাড়াও, এমন সম্ভাব্য এলাকা হতে পারে ভোলা ও অন্য কোনো ব-দ্বীপ, মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সিরাজগঞ্জ বা উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ সমন্বিত খামার এলাকা। চিহ্নিত জোনিং প্রক্রিয়ায় এলাকাটিকে জিআইএস ম্যাপিংয়ের আওতায় আনতে হবে, যাতে প্রাণীর গতিবিধি ও স্বাস্থ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়।
কোয়ারেন্টাইন স্টেশন স্থাপন : চিহ্নিত এলাকাটি হবে মূলত একটি নিয়ন্ত্রিত এলাকা, প্রবেশপথে কোয়ারেন্টাইন স্টেশন স্থাপন করা বাধ্যতামূলক; এই এলাকায় প্রবেশ ও বহির্গমন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে; যাতে প্রাণীর স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এতে আন্তর্জাতিক ক্রেতাগণ মাংসের উৎস, নিরাপত্তা ও উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পূর্ণ আস্থা অর্জন করতে পারবেন। এখানে, বাইরে থেকে আসা নতুন প্রাণী সরাসরি মূল পালের সাথে মিশতে দেওয়ার আগে প্রাণীর অবস্থাভেদে নির্দিষ্ট সময়, সাধারণত ১৫-২৮ দিন, নিবিড় পর্যবেক্ষণে বা কোয়ারেন্টাইন করে রাখতে হবে। এতে কোনো সুপ্ত রোগের লক্ষণ থাকলে তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং মূল জোন রোগজীবাণুর প্রাদুর্ভাব থেকে নিরাপদ থাকবে। স্টেশনে আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করা প্রয়োজন যেখানে প্রাণীর রক্ত ও নমুনা পরীক্ষা করে ‘রোগমুক্ত’ বা নির্দিষ্ট ‘রোগমুক্ত’ সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়াও, এই স্টেশনে কার্যকর ‘রেসিডিউ কন্ট্রোল প্ল্যান’ থাকবে এবং এখানে প্রয়োজনীয় রেসিডিউ পরিমাপের জন্য যথাযথ ল্যাবরেটরি ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে। এটি আন্তর্জাতিক রপ্তানি প্রোটোকল বা স্যানিটারি অ্যান্ড ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) ব্যবস্থার একটি বাধ্যতামূলক অংশ।
টিকা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা : রপ্তানিযোগ্য প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিবিড় টিকা কার্যক্রম অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ী ‘ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ’ (এফএমডি) মুক্ত প্রমাণ করতে পারলে রপ্তানি বাজার ধরা সহজ হয়, তাই এই টিকা কার্যক্রমের মেরুদ- হিসেবে কাজ করবে। এ ছাড়াও, এনথ্রাক্স বা তড়কা, গলাফুলা, বাদলা এবং ছাগলের পিপিআর-এর মতো সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে রুটিন অনুযায়ী টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করতে হবে। এই জোনের প্রতিটি প্রাণীকে একটি ইউনিক আইডি ‘ইয়ার ট্যাগিং’ বা ‘বায়োমেট্রিক মাজল রিকগনিশন’ বা ‘আরএফআইডি’-এর আওতায় আনা হবে, যাতে কোনো প্রাণী টিকার রেকর্ড ছাড়াও সকল প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন: জন্ম, শারীরিক অবস্থা, খাদ্য গ্রহণ, প্রজনন, কৃমিনাশক প্রদান, অসুস্থতা ও চিকিৎসা, এক কথায়, প্রাণীর জন্ম থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের ডিজিটাল ট্র্যাকিং নিশ্চিত করা যায়।
মিট প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপন : রপ্তানির চূড়ান্ত ধাপ হলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আধুনিক কসাইখানা বা মিট প্রসেসিং প্ল্যান্ট বা মাংস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপন। এখানে, প্রাণীকে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক এবং ধর্মীয় বা হালাল পদ্ধতিতে জবাই করার সুযোগ থাকবে। প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে হ্যাসাপ এবং আইএসও মানদ- বজায় রেখে মাংসের হাড় ও চর্বি আলাদা করা, বিভিন্ন ধরনের মাংস ‘কাট’ অনুযায়ী প্যাকেজিং এবং দ্রুত শীতলীকরণ (চিলিং) নিশ্চিত করতে হবে। উন্নত ‘কোল্ডচেইন’ বজায় রেখে মাংসের পুষ্টিগুণ ও স্থায়িত্ব বাড়ানো হয়। এরপর, দ্রুত মার্কেট চেইনের দ্বারা উন্নত যোগাযোগের মাধ্যমে রপ্তানি বাজারে পৌঁছাতে হবে।
পরিবেশগত প্রস্তুতি : এ ছাড়াও, রপ্তানির ক্ষেত্রে একটি নতুন বিবেচনার বিষয় হচ্ছে পরিবেশ সুরক্ষা যা ইউরোপীয় ইউনিয়ন কার্বন বর্ডার এডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম) নামে নামকরণ করেছে। রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রমটির টেকসই সাফল্যের জন্য যথোপযুক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। প্রতিদিন খামার, কোয়ারেন্টাইন স্টেশন ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বর্জ্য সরাসরি পরিবেশে মিশলে তা পরিবেশ, হাওর, নদী এবং জলাশয় দূষিত করবে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করতে পারে এবং রপ্তানি উপযোগিতা হারাতে পারে। তাই কার্বন ফুটপ্রিন্ট হ্রাস করে পরিবেশ সুরক্ষা করতে খামারে আধুনিক বায়োগ্যাস প¬্যান্ট এবং প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) স্থাপন করা বাধ্যতামূলক করা। এই প্রযুক্তি একদিকে গোবরকে জৈবসার এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করে, অন্যদিকে খামারের পরিচালনা খরচ কমায়। এ ছাড়াও, গ্রিন প্রোডাকশন, ট্রেসেবিলিটি এবং পরিবেশবান্ধব লজিস্টিকস্ রপ্তানির অন্যতম শর্ত। এসব প্রস্তুতি ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশী প্রাণিসম্পদ পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজ করবে।
আবহমান বাংলার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হলো প্রাণিসম্পদ। সর্বোচ্চ ঘনত্ব, স্বল্পমূল্যের শ্রম এবং চাষাবাদের মাধ্যমে উৎপাদিত খাদ্য সরবরাহের মাধ্যমে পালিত এই প্রাণিসম্পদ হতে পারে রপ্তানি আয়ের নতুন চালিকাশক্তি। দেশের গ-ি পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে আমাদের নতুন উচ্চতায় উঠার এক অদম্য সিঁড়ি। ইতোমধ্যে, বাংলাদেশে বিশ্বজুড়ে কিছু প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানি করেছে। তবে, এর পরিমাণ জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় হালাল মাংস, প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ডিম এবং চামড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে যদি ডিজিজ ফ্রি জোন, কোয়ারেন্টাইন, বিশেষায়িত প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা এবং কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, তবে বাংলাদেশ অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে বিপুল পরিমাণ প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। তাই, সঠিক পরিকল্পনা, আর্থিক বরাদ্দ, দক্ষ জনবল এবং চৌকস নেতৃত্বের মাধ্যমে আমাদের রপ্তানিমুখী প্রাণিসম্পদ খাত গড়ার নতুন লক্ষ্যে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যেতে হবে।
লেখক : সিনিয়র সহকারী পরিচালক, পরিকল্পনা শাখা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫, ফোন: ০১৭১০০৫৪৭৭৫
