হাজারীবাগের ছোট কারখানা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর মঞ্চে, বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী শক্তি ও দৃঢ় সংকল্পের কারণে। লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক দক্ষতায় সজ্জিত এই তরুণরা প্রযুক্তি ও মানের স্বাদে আন্তর্জাতিক বাজারে ছাপ ফেলছেন।
ডিয়ার লেদার গুডসের ফরিদা ইয়াসমিন বীথি, থ্রি টেকের মো. তাসনিম আলম শাহীন, আরলেন্স লেদারের তাহমিনা আক্তার শাম্মী এবং কোলাজেন বাংলাদেশের গোলাম মুরসালিনসহ অনেকেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করছেন-অল্প পুঁজি ও প্রতিভায়।
তবে শিল্পের সামনে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ, আমদানি প্রতিযোগিতা ও উত্পাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার মতো চ্যালেঞ্জও আছে। বিটিএ’র সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান বলছেন, তরুণদের উদ্ভাবন ও মান ধরে রাখার গুণাগুণ নিয়ে বাংলাদেশ চামড়া শিল্প আগামী দিনেও শীর্ষে থাকবে।
গত অর্থবছরে রপ্তানি এসেছে ৩৪৫ মিলিয়ন ডলার, যা দেখাচ্ছে শিল্পের সম্ভাবনার উজ্জ্বলতা। তরুণ উদ্যোক্তাদের সচেতন মনোভাব, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বিশ্বমানের প্রোডাক্ট নিয়ে দেশের চামড়া শিল্প নতুন উচ্চতায় যাচ্ছে।
বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে নবযুগের সূচনা, তরুণের হাত ধরে গড়ে উঠছে আত্মবিশ্বাস!
