নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
১৭.১২.২০২৫ খ্রি.
কুমিল্লার শ্রীমন্তপুর এলাকায় শখের বসে গবাদি পশু পালন শুরু করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন হাজী গিয়াস উদ্দিন। ২০২৪ সালে মাত্র একটি গরু দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তার খামারে পশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটিতে। সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর আঞ্চলিক অফিস কুমিল্লার পক্ষ থেকে তার এই খামারটি পরিদর্শন করা হয়।
খামারের বর্তমান অবস্থা: হাজী গিয়াস উদ্দিন মূলত কৃষিকাজের পাশাপাশি শখের বশে পশুপালন শুরু করেন। বর্তমানে তার খামারে দেশি ও শংকর জাতের মোট চারটি গরু রয়েছে। একজন শ্রমিকের সহায়তায় তিনি খামারটি পরিচালনা করছেন। খামারের গরুগুলোকে নিয়মিত কাঁচা ঘাস, খড় এবং ভুষি খাওয়ানো হয়। বর্তমানে খামারের গাভী থেকে দৈনিক গড়ে ১০ কেজি দুধ পাওয়া যাচ্ছে, যা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও পরামর্শ:পরিদর্শনকালে দেখা যায়, খামারি হাজী গিয়াস উদ্দিন এখন পর্যন্ত সরকারি প্রাণিসম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ করেননি এবং স্থানীয় ডাক্তারের মাধ্যমে গবাদি পশুর চিকিৎসা ও ঔষধের ব্যবস্থা করছেন। ইতিপূর্বে খামারের গরুর ‘নাভি ফোলা’ জনিত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। উন্নত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবাদি পশু পালন নিশ্চিত করতে এবং সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন বা টিকা প্রদানের লক্ষে তাকে দ্রুত নিকটস্থ প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: চার সদস্যের পরিবারের কর্তা হাজী গিয়াস উদ্দিন তার এই উদ্যোগকে আরও বড় করার স্বপ্ন দেখছেন। তিনি জানান, সরকারি সহযোগিতা এবং সঠিক কারিগরি পরামর্শ পেলে তিনি বড় পরিসরে একটি আধুনিক ডেইরি ফার্ম গড়ে তুলতে চান। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের প্রতিনিধিরা জানান, হাজী গিয়াস উদ্দিনের মতো নতুন খামারিদের সঠিক তথ্য ও সরকারি সেবা প্রদান করা গেলে তারা দ্রুত বাণিজ্যিক সাফল্যে পৌঁছাতে পারবেন। পরিদর্শন শেষে তথ্য দপ্তর কর্তৃক মুদ্রণ সামগ্রী প্রাণসম্পদ বিষয়ক বিনামূলক প্রদান করা হয়।
উদ্যোক্তা গিয়াস উদ্দিনের গল্প
18
previous post
