![]()
আবুল হাশেম, ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ)
প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় কোয়েল পাখির খামার থেকে ডিম সংগ্রহ করছেন জরিনা বেগম -যুগান্তর
জরিনা বেগমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিয়ের পর চলছিল অর্থনৈতিক দৈন্যদশা। কখনো কখনো না খেয়ে দিন কাটাতে হয়েছে। বর্তমানে তার ব্যবসার মূলধন রয়েছে অন্তত ১২ লাখ টাকা। যেখান থেকে তিনি প্রতিমাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করেন। তার এই সাফল্যে উদ্যোক্তা হতে উৎসাহী হচ্ছেন গ্রামীণ নারীরা।
জরিনা বেগম বলেন, আমি পাঁচ কন্যাসন্তান নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। আমার কোনো পড়াশোনা ছিল না। পরে একটা বয়স্ক স্কুলে পড়াশোনা করতাম। সেখানে নাম-ঠিকানাসহ কিছু জানার পর গল্প শুনি, মহিলারা ঘরে বসে আয় করে, সেলাই কাজ এবং হাঁস-মুরগি পালন করে। পরে আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ শুরু করি এবং মোবাইলে ইউটিউবে কোয়েল পাখির ভিডিও দেখে খামার গড়ে তুলি। তিনি বলেন, সরকারি ঋণ পেলে একটা গরুর খামার করতে চাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান বলেন, জরিনা বেগম স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করে লড়াই-সংগ্রামে সফল হয়েছেন। তাকে দেখে এখন অনেকে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, জরিনা বেগমের খামার সম্পর্কে অবগত হয়েছি। একজন নারী হয়ে তিনি সফল হয়েছেন। তাকে দেখে আমাদের বেকার তরুণরা উৎসাহ পেতে পারে।
