সফল খামারি মাসিদুর রহমান রাজশাহী সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল হড়গ্রামের কৃষক মাসিদুর প্রথমে একটি গরু পালন শুরু করেন, সেই থেকে তিনি আজ লাখপতি। তিনি ৪ বছর ধরে গরু পালনের নেশায় মগ্ন।গরু ও দুধ বিক্রি করে তিনি একটি ফ্লাট বাড়ির মালিক, কিনেছেন ২ বিঘা জমিও। প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, গরু পালনে এ খামারির কোনো বাড়তি খরচ না থাকায় তিনি সফল। বর্তমানে মাসিদুর খামারে ছোট-বড় ১০টি গরু রয়েছে। তার এ সফলতা দেখে এলাকায় তার মতো অনেকেই ছোট-বড় খামার গড়ে তুলেছেন।
মাসিদুর জানান, প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে গরু নিয়ে মাঠে ঘাস খাওয়াতে যান। তিনি বলেন, গরু লালনপালন করা তার নেশা। যতদিন বেঁচে আছেন ততদিনই গরু পালন করবেন।
গ্রামের বাসিন্দা রইস উদ্দিন, রিনা খাতুন ও আফজাল হোসেন জানান, মাসিদুর একটি গরু থেকে আজ লক্ষ টাকার মালিক হয়েছেন। গরুর ওপর নির্ভর করে তার অনেক উন্নতি হয়েছে। মাসিদুর মেয়ে আমেনা জানান, তার বাবা গরু বিক্রির টাকায় তাকে বিয়ে দিয়েছেন। আর দুই ভাইকে বিদেশ পাঠিয়েছেন। আর মাসিদুর এর স্ত্রী হালিমা খাতুন জানান, প্রতিদিন সকালে গরুর পালগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আমি রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দেই। আর সারাদিন সে মাঠে গরুর ঘাস খাইয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি নিয়ে এলে গোয়ালে রাখার সময় আমি সহযোগিতা করি। খামার থেকে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ কেজি দুধ পাওয়া যায়। সে দুধ ঘোষদের কাছে বিক্রি করি। গোবর সংগ্রহ করে সেটাও বিক্রি করি। এ নিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলে রাব্বি জানান, গাভি গরু পালন করে মাসিদুর তার জীবনটাকেই পাল্টে ফেলেছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ তার সার্বিক খোঁজখবর, পরামর্শ এবং সহযোগিতা দিয়ে আসছে। তিনি একজন সফল খামারি এবং উদ্যোক্তা
পরিশেষে, দেশি মুরগি পালন, গাভী পালন, ছাগল পালন, সবুজ ঘাস সংরক্ষণ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, গবাদি পশুর সুষম খাবার তৈরীর উপকরন, সহ সকল প্রকার লিফলেট, ফোল্ডার বিনামূল্যে প্রদান করা হয় এবং পরামর্শ প্রদান করা হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, আঞ্চলিক অফিস, রাজশাহীর থেকে খামারটি পরিদর্শন করা হয় ।
প্রতিবেদনকারী
মো. খাদেমুল ইসলাম
কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর
আঞ্চলিক অফিস, রাজশাহী।
