১৪/১০/২০২৪ খ্রি.
ঢাকা জেলার ,নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের এয়াকুব আলী একজন ব্যবসায়ী । পাশা পাশি নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেন সাদা মহিষ এর খামার । তিনি ৫ বছর ধরে মহিষ পালনের নেশায় মগ্ন। এয়াকুব প্রথমে একটি মহিষ পালন শুরু করেন, সেই থেকে তিনি আজ অনেক টাকার মালিক । মহিষ ও দুধ বিক্রি করে তিনি কিনেছেন ৬ বিঘা জমিও। বর্তমানে এয়াকুবের খামারে ছোট-বড় ২৫টি মহিষ রয়েছে। তার এ সফলতা দেখে এলাকায় তার মতো অনেকেই ছোট-বড় খামার গড়ে তুলেছেন।
এয়াকুব আলী জানান, প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে মহিষ নিয়ে মাঠে ঘাস খাওয়াতে যান। তিনি বলেন, মহিষ লালনপালন করা তার নেশা। যতদিন বেঁচে আছেন ততদিনই মহিষ পালন করবে।
গ্রামের বাসিন্দা ময়েজ উদ্দিন, রিমা খাতুন ও কবির হোসেন জানান, এয়াকুব একটি মহিষ থেকে আজ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। মহিষ পালন করে তার অনেক উন্নতি হয়েছে। এয়াকুবের মেয়ে ইভা জানান, তার বাবা মহিষ বিক্রির টাকায় তাকে বিয়ে দিয়েছেন। আর দুই ভাইকে বিদেশ পাঠিয়েছেন। আর এয়াকুবের স্ত্রী মরিয়ম জানান, প্রতিদিন সকালে মহিষের পালগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আমি রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দেই। আর সারাদিন সে মাঠে মহিষ গুলোকে ঘাস খাওয়ায় সন্ধ্যায় বাড়ি নিয়ে এলে গোয়ালে রাখার সময় আমি সহযোগিতা করি। খামার থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ কেজি দুধ পাওয়া যায়। সে দুধ গোয়ালের কাছে বিক্রি করি। গোবর সংগ্রহ করে সেটাও বিক্রি করি। মহিষ পালন করে এয়াকুব তার জীবনটাকেই পাল্টে ফেলেছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ তার সার্বিক খোঁজখবর, পরামর্শ এবং সহযোগিতা দিয়ে আসছে। তিনি একজন সফল খামারি এবং উদ্যোক্তা।
পরিশেষে ,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর ,আঞ্চলিক অফিস ,ঢাকার পক্ষ থেকে মহিষ পালন ব্যবস্থাপনা, গাভী পালন ,ছাগল পালন ,সাইলেজ গোখাদ্য সংকটে সমাধান, সবুজ ঘাস সংরক্ষন প্রযুক্তি সম্প্রসারন ,গবাদি পশুর সুষম খাবার তৈরির উপকরন ও খাওয়ানোর নিয়মাবলী উন্নত জাতের ঘাস ছাষ বিষয়ক লিফলেট ও ফোল্ডার বিনামূলে প্রদান করা হয় এবং পরামর্শ প্রদান করা হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর ,আঞ্চলিক অফিস ,ঢাকা থেকে ২ জন কর্মচারী খামারটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে খামারিকে পরামর্শ প্রদান করেন মো. খাদেমুল ইসলাম , কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক , এবং খামারির ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন মো. ফাহিম রহমান রনি ,অডিও ভিজ্যুয়াল ইউনিট অপাটের ।