১৯/১১/২০২৪ খ্রি.
ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া ইউনিয়নের আমেনা বেগম পেশায় একজন গৃহিনী। শখের বসে শুরু করেন ছাগল ও কবুতর পালন। এই শখ থেকেই ২০২৩ সালে ছাগল পালন শরু করেন। এর আগে নেন প্রশিক্ষণ। আমেনা বলেন , ছাগল সাধারনত বছরে ২ বার বাচ্চা দিয়ে থাকে। ছাগল কিনতে তার খরচ হয় ৪০,০০০ টাকা । ঘাসের চাহিদা মেটাতে ১০ শতাংশ জমিতে লাগান নেপিয়ার ঘাস। বর্তমানে আমেনার খামারে ৪ টি ছাগল আছে ; এর মধ্যে বাচ্চা আছে ৬ টি । কোরবানি ঈদের সময় ৩ টি খাসি ছাগল বিক্রি করেন। ৩ টি খাসি ছাগল ১৩,০০০ টাকা দরে মোট ৩৯,০০০ টাকায় বিক্রি করেন।
কবুতর পালন সর্ম্পকে আমেনা বলেন , কবুতর পালনে খরচ কম এবং লাভ অনেক বেশি হয় । এক জোড়া কবুতর প্রতি মাসে এক জোড়া করে বাচ্চা দিয়ে থাকে। কবুতরের রোগ ও হয় তুলনা মুলক ভাবে অনেক কম। কবুতরের খাদ্যে ও লাগে অনেক কম কারন কবুতর দিনের বেলায় খোলা জায়গায় খারার গ্রহণ করে থাকে। কবুতরের বাচ্চা ২০ দিনের মধ্যে বিক্রি উপযাোগি হয় । কবুতরের বাচ্চা ২৩০ টাকা দরে বিক্রি করেন বলে জানান তিনি । তিনি বলেন , ছাগল পালন এবং কবুতর পালন করে এখন তার সংসার ভালোই চলছে ।
সহযোগিতা সম্পর্কে আমেনা বেগম জানান , খামারে ছাগল এবং কবুতর রোগাক্রান্ত হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এ যোগাযোগ করেন এবং প্রাণিসম্পদ অফিস বিভিন্ন সহযোগিতা করেন। পরিশেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, আঞ্চলিক অফিস, ঢাকা থেকে আমেনা বেগম কে ছাগল পালন এবং কবুতর পালনের সুষ্ঠ পরামর্শ সহ গাভী পালন, ছাগল পালন, কবুতর পালন, সবুজ ঘাস সংরক্ষণ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, গবাদি পশুর সুষম খাদ্য তৈরির উপকরণ ও খাওয়ানোর নিয়মাবলী, উন্নত জাতের ঘাস চাষ বিষয়ক লিফলেট ও ফোল্ডার বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, আঞ্চলিক অফিস, ঢাকা থেকে খামারটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে খামারিকে পরামর্শ প্রদান করেন মো. খাদেমুল ইসলাম, কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক, এবং খামারির ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন মো. ফাহিম রহমান রনি, অডিও ভিজ্যুয়াল ইউনিট অপারেটর ।
প্রতিবেদনকারী
(মো. খাদেমুল ইসলাম)
কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর,
আঞ্চলিক অফিস, ঢাকা।