মোনাজাত আলীর খামারে চড়ে বেড়াচ্ছে হাঁসের ঝাঁক। সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামে সমকাল
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৫
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি-ভালাইপুর সড়কের ভাইমারা ব্রিজের কাছে মোনাজাত আলীর খামার। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় হাঁসের খামার এটি। বর্তমানে এই খামারটিতে ১৮ হাজার খাকি ক্যাম্পবেল জাতের হাঁস পালন করা হচ্ছে। হাঁসগুলোর নিয়মিত দেখাশোনার কাজে নিয়জিত রয়েছেন পাঁচ শ্রমিক।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তাঁর খামারে ১৮ হাজার হাঁস রয়েছে। এপ্রিলের শুরুতে কেনা হাঁসগুলো জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে ডিম দেওয়া শুরু করেছে। শীত মৌসুমে ডিম উৎপাদন বাড়বে। তখন দৈনিক ৯ হাজারের বেশি ডিম উৎপাদন হবে। সে হিসাবে লাভের পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বাড়বে।
খামারটির শ্রমিক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমানে খামারে পাঁচজন শ্রমিক রয়েছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা হাঁসের খাবার খাওয়ানো, শেড পরিষ্কার, পার্শ্ববর্তী বিলে হাঁসের গোসল করানোসহ নানা কাজ করেন। তিনি জানান, হাঁসের খামার খুবই লাভজনক। যদি নিয়মিত পরিচর্যা করা হয়, তাহলে হাঁসের খামারে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
ইউপি সদস্য আল আমিন বলেন, মোনাজাত আলীর হাঁসের খামারে বেশ কিছু নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তাঁর বেশ লাভ হয়েছে বলে শুনেছি। তাঁর দেখাদেখি অনেকেই খামার করার পরিকল্পনা করছে।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার বলেন, মোনাজাত আলীর খামারে প্রাকৃতিক পরিবেশে কৃত্রিম জলাশয় তৈরি করে হাঁসগুলো পালন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এই খামারটি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় হাঁসের খামারে পরিণত হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সব সময় তাঁকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হাঁসের টিকা, খাবার ব্যবস্থা ও পরিচর্যার বিষয়ে নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
