তারিখ : ২১.০৮.২০২৫ খ্রি.
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মান্নান মূলত গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে ব্যবসার পাশাপাশি তিনি সফলভাবে মাছ, হাঁস, মুরগি ও কবুতর পালন করে নিজেকে গড়ে তুলেছেন একজন সম্ভাবনাময় খামারি হিসেবে।
২০০৫ সালে তিনি পুকুরে কার্প জাতীয় মিশ্র মাছ চাষ শুরু করেন। নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর মাছ বিক্রি করেন। সম্প্রতি তিনি প্রায় ১২০০ কেজি মাছের পোনা ছেড়েছেন। তবে বর্তমানে তার একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে- পুকুরে তেলাপিয়া মাছ মারা যাচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় মৎস্য দপ্তর থেকে তাকে পানি পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মাছ চাষের পাশাপাশি তিনি দেশি প্রজাতির হাঁস ৪৫টি, মুরগি ৩০টি ও কবুতর ১০ জোড়া পালন করছেন। পরিবারে এসব মাছ, হাঁস-মুরগি ও কবুতর থেকে পাওয়া পুষ্টি ও আমিষের চাহিদাপূরণ হওয়ার পর অতিরিক্ত অংশ বাজারে বিক্রি করে ভালো আয় করছেন তিনি। ফলে পরিবারের খরচ বাঁচছে এবং তিনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হচ্ছেন।
আব্দুল মান্নান বলেন, “বাড়ির আঙিনা অযথা ফেলে না রেখে সেখানে যদি হাঁস-মুরগি, কবুতর পালন বা পুকুর করে মাছ চাষ করা যায়, তাহলে পরিবার যেমন উপকৃত হবে, তেমনি আর্থিক স্বচ্ছলতাও আসবে।”
খামার পরিদর্শন শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে তাকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মুদ্রণ সামগ্রী প্রদান করা হয়।
প্রতিবেদনকারী :
খালেক হাসান, কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, কুমিল্লা।
