৩০/০৫/২০২৪খ্রি.।
কুমিল্লা জেলার চাপাপুর গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন। তিনি দারিদ্র পরিবারের সন্তান , দারিদ্রতার কারণে পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারিনি। প্রাতিষ্ঠানিক বেশি শিক্ষা না থাকার পরও দারিদ্রতার কথা চিন্তা করে ঘুরে দাড়ানোর জন্য ৮ শতাংশ জায়গার উপর আলাউদ্দিন গড়ে তুলেন তার সমন্বিত খামার।
বর্তমানে তার জমি না থাকার পরেও তিনি এনজিও থেকে কিস্তিতে টাকা নিয়ে গড়ে তোলেন তার খামার। প্রথমত ১০ টি পাতিহাঁস ও ০২টি ভেড়া তার খামারের কার্যক্রম শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি হাঁস ও ভেড়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করেন ধীরে ধীরে। বর্তমানে তার খামারে ৫৩ টি পাতিহাঁস ও ১০টি ভেড়া রয়েছে।
আলাউদ্দিন তার খামারে ভেড়া ও হাঁস গুলোকে নিজেই পরিচযা করে থাকেন। তিনি বলেন প্রতিদিন হাঁসের খাবারে তালিকায় রয়েছে ভাত, চালের কুড়া ও ভূট্রা ভাঙ্গা ইত্যাদি এবং ভেড়ার খাবার তালিকায় রয়েছে ভূষি ও কাঁচা ঘাস।
ভেড়ার খাদ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভূষি ও কাঁচা ঘাস খাদ্য হিসাবে প্রতিদিন ভেড়াকে দিয়ে থাকেন খাদ্য প্রদানের জন্য তিনি আলাদা শেড তৈরি করেছেন।
হাঁস ও ভেড়ার লভ্যাংশ দিয়ে তিনি তাহার লোন পরিশোধ করেন। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারলে ভবিষ্যতে তিনি এই খামারের পাশাপাশি গরুর খামার গড়ে তুলবেন। দারিদ্র পরিবারে সন্তান তিনি পারিবারিক খরচ মিটিয়ে তার পাশাপাশি খামার বড় করার স্বপ্ন বুনেছেন আলাউদ্দিন। এজন্য স্বল্প পরিসরে তিনি টাকা সঞ্চয় করেছেন।
প্রশিক্ষণের বিষয় জানতে চাইলে আলাউদ্দিন বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে তিনি ০৩দিনের প্রশিক্ষনে অংশগ্রহন করেন । পরিশেষে তাকে নিকটস্থ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়া হয়।
সর্বোপরি আলাউদ্দিনকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, আঞ্চলিক অফিস, কুমিল্লার পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, প্রধান কার্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মুদ্রন সামগী বিনামূলে প্রদান করা হয় ।
প্রতিবেদনকারী
মো. আল আমিন
কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর
আঞ্চলিক অফিস, কুমিল্লা।