তারিখ : ২১.১০.২০২৫ খ্রি.
শখের বশে শুরু করা ছাগল পালন এখন সফলতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনেশ্বর এলাকার জিয়া উদ্দিন সরকারের হাতে। ২০২০ সালে তিনি মাত্র কয়েকটি ছাগল নিয়ে খামার শুরু করেন। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে যমুনাপাড়ি ১১টি, ব্ল্যাক বেঙ্গল ১০টি ও দেশি জাতের ৪টি ছাগল।
খামারে একজন শ্রমিক কাজ করেন নিয়মিত। খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয় হাইব্রিড জাতের কাঁচা ঘাস, কাঠাল পাতা, খুদি ও ভুসি। নিয়মিত যত্ন ও পরিচর্যার মাধ্যমে ছাগলগুলো সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে। যদিও মাঝে মাঝে পিপিআর, ঠান্ডা ও এফএমডি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, তবুও সচেতন ব্যবস্থাপনায় তা মোকাবিলা করা হয়।

oppo_2
জিয়া উদ্দিন সরকারের পরিবারে ছয়জন সদস্য রয়েছেন। তিনি জানান, প্রতি কোরবানির মৌসুমে তার খামার থেকে গড়ে ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ হয়। খামারের জন্য তিনি একটি শেড তৈরি করেছেন। মূল পেশা ব্যবসা হলেও ছাগল পালনকে তিনি এখন একটি সম্ভাবনাময় অতিরিক্ত আয় হিসেবে দেখছেন।
তবে তিনি এখনও স্থানীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অফিসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেননি। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, অফিসের কারিগরি সহায়তা ও টিকাদান সেবা গ্রহণ করলে খামারটি আরও উন্নত ও লাভজনক হতে পারে।
সবশেষে উল্লেখ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মুদ্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়, যা খামারিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।
প্রতিবেদনকারী:
খালেক হাসান,কৃষি তথ্য কেন্দ্র সংগঠক
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, কুমিল্লা
